বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করিয়া ৯৫০ (নয়শত পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০২ জন গ্রেফতার বাংলা নব-বর্ষের শুভেচ্ছা জানান তরুন রাজনৈতিক ব্যাক্তি আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী তরুনদের সামনে বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম কে তুলে ধরার আহবান জানান -চট্টগ্রামের ডিসি আওয়ামী লীগের কারাবন্দী একজন সাবেক রাজনীতিককে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর পরিবারের কাছে ১ কোটি টাকা চেয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) একজন প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী)। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাঙামাটি জেলার যুগ্ম সদস্যসচিব উজ্জ্বল চাকমার পদত্যাগের পাঁচ দিন পর জুরাছড়িতে উপজেলা কমিটির আহ্বায়কসহ ৮৭ জন পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৯ মার্চ) এক বিশেষ সভায় উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমাসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির সব সদস্য গণপদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। “আলোচিত ঘটনা ওয়ান-ইলেভেন চক্রান্তের আদ্যোপান্ত ” “মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ করায় কারাগারে সাংবাদিক” জোবায়েদ হত্যাকাণ্ড সামনে দাঁড়িয়ে দেখে বর্ষা, মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে বাসায় চলে যায় । জামায়াতের ওপর এনসিপির ক্ষোভ যে কারনে: আগের রাতে হয় দীর্ঘ বৈঠক

বাংলাদেশ মানবিকতার দৃশ্যমান নিদর্শন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে গতকাল সোমবার ঢাকায় আসেন। গতকালই তিনি কক্সবাজার চলে যান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা দেখতেই জোলির বাংলাদেশ সফর। এ সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়েও কথা তিনি কথা বলেছেন আজ।

 

গতকালের মতো আজও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জোলি। পরে কুতুপালংয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জোলির বক্তব৵ তুলে ধরা হয়েছে।

 

জোলি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়। এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা অব্যাহত আছে।

 

জোলি বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবিরটি। এখানে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে।’ তিনি বলেন, সব শরণার্থীই দুর্দশাগ্রস্ত। তবে রোহিঙ্গারা শুধু গৃহহারা নয়, তারা দেশহারা।

 

বিভিন্ন মানবিক তৎপরতায় জোলি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দেশে জন্ম, সেই দেশের নাগরিকত্ব তারা পায়নি। এটি সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন। তাদের রোহিঙ্গা নামে ডাকাও হয় না।

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, দেশে ফেরার পূর্ণ অধিকার আছে রোহিঙ্গাদের। তবে তখনই তারা দেশে ফিরবে, যখন তারা মনে করবে সেখানে তাদের যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। আর ফিরে যাওয়ার পর তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে, সেই নিশ্চয়তাও পেতে হবে।

জোলি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘গতকাল এক নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মিয়ানমারে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার নিরাপদ ব্যবস্থা না করে যদি ফেরত পাঠাতে চান, এর আগে আমাকে এখানেই মেরে ফেলুন।”’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

প্রযুক্তি সহায়তায় রায়তাহোস্ট