বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করিয়া ৯৫০ (নয়শত পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০২ জন গ্রেফতার বাংলা নব-বর্ষের শুভেচ্ছা জানান তরুন রাজনৈতিক ব্যাক্তি আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী তরুনদের সামনে বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম কে তুলে ধরার আহবান জানান -চট্টগ্রামের ডিসি আওয়ামী লীগের কারাবন্দী একজন সাবেক রাজনীতিককে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর পরিবারের কাছে ১ কোটি টাকা চেয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) একজন প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী)। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাঙামাটি জেলার যুগ্ম সদস্যসচিব উজ্জ্বল চাকমার পদত্যাগের পাঁচ দিন পর জুরাছড়িতে উপজেলা কমিটির আহ্বায়কসহ ৮৭ জন পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৯ মার্চ) এক বিশেষ সভায় উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমাসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির সব সদস্য গণপদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। “আলোচিত ঘটনা ওয়ান-ইলেভেন চক্রান্তের আদ্যোপান্ত ” “মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ করায় কারাগারে সাংবাদিক” জোবায়েদ হত্যাকাণ্ড সামনে দাঁড়িয়ে দেখে বর্ষা, মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে বাসায় চলে যায় । জামায়াতের ওপর এনসিপির ক্ষোভ যে কারনে: আগের রাতে হয় দীর্ঘ বৈঠক

চার দিনের ইজতেমা ছয় দিনে গড়াবে!

১৫ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করেছিল সরকার। কথা ছিল প্রথম দুদিন এক পক্ষ এবং পরের দুদিন অন্য পক্ষ এর ব্যবস্থাপনায় থাকবে। কিন্তু কোনো পক্ষই এই সিদ্ধান্ত মানছে না। নিজেদের মতো করে তারা তিন দিনের ইজতেমার তারিখ ঘোষণা করেছে। এমনকি আখেরি মোনাজাতও দুই পক্ষ আলাদা করার ঘোষণা দিয়েছে।

 

ইজতেমার তারিখের এই গরমিলের বিষয় সামনে আসে রোববার বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক) থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির পর। সংগঠনটি তাবলিগ জামাতের আমির মাওলানা সাদ কান্দলভীর বিরোধী পক্ষকে সমর্থন করছে। বেফাকের মজলিশে শ‌ুরার অধিবেশনের পর পাঠানো এই বিজ্ঞপ্তিতে তারা ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা সফল করার আহ্বান জানিয়েছে। অথচ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাদবিরোধীরা ইজতেমার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পেয়েছেন ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি। সাদপন্থীরা এমন ঘোষণাকে বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছেন। তবে তাঁদের ইজতেমাও তৃতীয় দিনে গড়াবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ ১৭, ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি—এই তিন দিন তাঁরা ইজতেমা করবেন।

 

এ বিষয়ে সাদবিরোধী মুরুব্বি ও ভিক্টোরিয়া পার্ক জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আমানুল হক প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিই তাঁরা ইজতেমা করবেন। কিন্তু এই দুদিনকে সফল করার জন্য ১৪ তারিখ থেকে তাঁদের ‘আমল’ শুরু হবে। অন্যান্য বছরও এটা হয়। ১৬ তারিখ সকালে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তাঁরা তাঁদের ইজতেমা শেষ করবেন।

 

সাদপন্থী শ‌ুরা সদস্য ওয়াসিফুল ইসলাম বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তের পরও বেফাকের এমন ঘোষণা দুঃখজনক। এটা বিভ্রান্তি ছড়াবে। তবে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তাঁদের ইজতেমা শেষ হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

প্রযুক্তি সহায়তায় রায়তাহোস্ট